আইএসপি নীতিমালায় থাকছে না ‘ক্যাটাগরি’

৫ মার্চ, ২০২০ ১৫:১৩  
এবার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারদের ব্যবসায় নীতিমালায় আসছে বড় রকমের পরিবর্তন।বিদ্যমান ৬ ধরনের লাইসেন্স কাঠামোকে নিয়ে আসা হচ্ছে ৪ ধরনের কাঠামোতে। বিদ্যমান এ, বি, সি ক্যাটাগরি অবলুপ্ত হয়ে তা থানা বা উপজেলা লাইসেন্স হিসেবে আসছে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে লাইসেন্স ফি বাড়ানো হচ্ছে ১০ গুণ। রেভিনিউ শেয়ার ও এসওএফ ইস্যুতে মন্ত্রী মহোদয় আশ্বস্ত করায় এই ফি বৃদ্ধিতে নেতিবাচক নয় বলে জানিয়েছে খাত সংশ্লিষ্টরা। সূত্রমতে, নীতিমালার খসড়া করার পর এটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। এখন যেকোনো সময়ই ঘোষণা করা হতে পারে নতুন নীতিমালা। জনাগেছে, বিদ্যমান ৬ ধরনের লাইসেন্সের মধ্যে দেশজুড়ে ব্যবসায়ের জন্য রয়েছে ন্যাশনওয়াইড, ঢাকাসহ দেশের মধ্য অঞ্চলে ব্যবসার জন্যে সেন্ট্রাল জোন এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ব্যবসার জন্য জোনাল লাইসেন্স। এর বাইরেও ক্যাটাগরি এ, বি এবং সি লাইসেন্স দিয়ে স্বল্প পরিসরে ঢাকা এবং অন্যান্য মেট্রোপলিটন শহরের কিছু এলাকা এবং ঢাকার বাইরে উপজেলা-ইউনিয়ন পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা দেয়ার লাইসেন্স দেয়া হয়। এখন সেটি ভেঙে সারা দেশের জন্য ন্যাশনওয়াইড ছাড়াও বিভাগীয় শহর এবং জেলা শহরের জন্য আলাদা আলাদা লাইসেন্স করা হচ্ছে। আর উপজেলা-থানা পর্যায়ের জন্য আসছে স্থানীয় লাইসেন্স। ন্যাশনওয়াইড লাইসেন্স ফি ১ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে আড়াই লাখ টাকা হতে যাচ্ছে। তাছাড়া সেন্ট্রাল জোন এবং জোনাল বিভাগে ৫০ হাজার টাকার লাইসেন্স ফি থাকলেও বিভাগীয় এবং জেলা পর্যায়ের জন্য সেটি দেড় লাখ টাকা করা হচ্ছে। আর স্থানীয় লাইসেন্স ফি হবে ৩০ হাজার টাকায়। ক্যাটাগরির লাইসেন্স ফি আগে ছিল আড়াই হাজার ও পাঁচ হাজার টাকা। এ বিষয়ে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, আইএসপি ব্যবসায় লাইসেন্সে এর ক্ষেত্রে কোনো শৃঙ্খলা ছিলো না। প্রথমবারের মতো নীতিমালা করে এই খাতে শৃঙ্খলা আনা হচ্চে। নতুন লাইসেন্স নীতিমালায় ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল’ সেবা চালু এবং ইন্টারনেটের সুব্যবহারকেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। অপরদিকে আইএসপিএবি মহাসচিব ইমদাদুল হক বলেন, ব্যবসায় শৃঙ্খলা আনায়নে নীতিমালা প্রণয়নের এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।